সর্বশেষ
Home / অর্থনীতি / সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে বাজেটে কোনো উদ্যোগ নেই : ন্যাপ

সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে বাজেটে কোনো উদ্যোগ নেই : ন্যাপ

307668022987_nআওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের ২০১৭-১৮ সালের প্রস্তাবিত বাজেটকে ধনিক ও লুটেরা শ্রেনীর স্বার্থ রক্ষার বাজেট হিসাবে অভিহিত করে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, বাজেট প্রস্তাবনার ভিত্তি পুঁজিবাদের নতুন দর্শন। প্রস্তাবিত বাজেটে প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধির যুক্তি উপস্থাপন করে দরিদ্র জনগণের সম্পদ অল্প কিছু লুটেরা-ধনিকের হাতে নিয়ন্ত্রন কারার প্রস্তাব করা হয়েছে। ঘোষিত বাজেট কথার ফুলঝুরি ও অসত্য আশ্বাসে পরিপূর্ণ। বাজেটে জনগনের মনোতুষ্টির নিস্ফল ও ব্যর্থ চেষ্টা চালানো হলেও, দিবালোকের মতো স্পষ্ট যে বাজেটের আসল লক্ষ্য হলো জনগণের ট্যাক্সের টাকায় সরকারের অনুসারী-অনুরাগী, দেশী-বিদেশী লুটপাটকারীদের পকেট ভারি করা।

নেতৃদ্বয় বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে শুধু গাণিতিক হিসাবই প্রধান্য পেয়েছে। আগামী অর্থবছরের জন্য ধার্যকৃত ৭ দশমিক ৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন বিশ্বাস যোগ্য নয়। বাজেটের যে গাণিতিক হিসাব রয়েছে, তা থেকে এবারের বাজেটও ভিন্ন কিছু নয়। এই বাজেট হচ্ছে সরকারের টাকা আয়ের বাজেট। সরকার টাকা আয় করবে আর সরকারই ভোগ করবে।

তারা আরো বলেন, বেসরকারি বিনিয়োগের কোনো ক্ষেত্র তৈরি হবে না। শিল্পের উন্নয়নে কোনো উদ্যোগ নেই। এক পোশাক শিল্পের উপরেই বাজেটে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। এতে অন্য শিল্প গুরুত্বহীন হয়ে পড়ছে।

নেতৃদ্বয বলেন, বিশাল বাজেটের জন্য সাধারণ মানুষের পকেট কেটে টাকা আদায় করা হবে। কিন্তু সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে বাজেটে তেমন কোনো উদ্যোগ নেই।

নেতৃদ্বয় বলেছেন, বাজেটের অর্থের বেশীরভাগ খরচ হবে পূর্বেকার ঋণ পরিশোধ, বিলাস দ্রব্য আমদানি, অপচয়, দুর্নীতিসহ বিভিন্ন প্রকারের সিস্টেম লস, কর-রেয়াতের নামে ধনিক শ্রেণীকে বিশাল ভর্তুকী প্রদান ইত্যাদি কাজে। এ সব কিছুই হলো ধনিক ও লুটেরা শ্রেণীর স্বার্থে গ্রহন করা সরকারের পদক্ষেপ। এর বাইরেও কালো টাকা সাদা করার সুযোগ আবারো অব্যাহত রাখার মাধ্যমে অর্থনীতিতে লুটপাটের ধারা আরও বেশী জোরদার করার পথ রাখা হয়েছে।

নেতৃদ্বয় আরো বলেন, ধনীকে আরও ধনী এবং গরিবকে আরও গরিব করা, ধনী-গরিব বৈষম্য ও শ্রেণী বৈষম্য বৃদ্ধি করা, সামাজিক অস্থিরতা ও নৈরাজ্য বৃদ্ধি করাই হবে সরকারের ঘোষিত বাজেটের ফলাফল। শুধু তাই নয়, এ বাজেট দেশের অর্থনীতিতে বিদেশ নির্ভরতা বৃদ্ধি করে জাতির অর্থনৈতিক-সামাজিক-রাজনৈতিক পরিমন্ডলে নৈরাজ্য, অস্থিতিশীলতা ও নাজুকতা বাড়িয়ে তুলতে পারে।

প্রিন্ট

About এডমিন

Check Also

IMG_2051

কেসিসি মেয়র এর সাথে এনইউবিটি খুলনার শব্দ দূষন ও প্রতিকার বিষয় সেমিনার

নর্দান ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এন্ড টেকনোলজি খুলনাতে অবস্থিত আমেরিকান কর্ণার খুলনার এনভায়রনমেন্ট ক্লাব এর উদ্যোগে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *