সর্বশেষ
Home / আন্তর্জাতিক / মাহাথির মোহাম্মদের ঐতিহাসিক বিজয়

মাহাথির মোহাম্মদের ঐতিহাসিক বিজয়

মালয়েশিয়ার প্রবীণ নেতা মাহাথির মোহাম্মদ বৃহস্পতিবার নির্বাচনে ঐতিহাসিক জয়লাভ করেছেন।  আর এর মধ্য দিয়ে ৯২ বছর বয়সী মাহাথিরের বিরোধী বারিসান ন্যাশনাল জোটের শাসন ক্ষমতার অবসান ঘটল। দলটি ছয় দশক ধরে টানা শাসন ক্ষমতায় ছিল। ১৯৫৭ সালে মালয়েশিয়ার স্বাধীনতার পর থেকেই দলটি ক্ষমতায় ছিল। খবর এএফপি’র।

এই বিজয়ের ফলে স্বেচ্ছায় রাজনীতি থেকে অবসরে যাওয়া মাহাথির আবার নাটকীয়ভাবে রাজনীতির ময়দানে ফিরে এলেন। এর আগে তিনি সুদীর্ঘ ২২ বছর মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কঠোর হাতে দেশ শাসন করেন।

রাজনৈতিক শিষ্য নাজিব রাজাকের বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতি ও বড় ধরনের দুর্নীতি কেলেঙ্কারীর অভিযোগ উঠার পর মাহথির আবার রাজনীতিতে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন।

ক্ষমতা গ্রহণের পর তিনিই হবেন বিশ্বের দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা প্রধানমন্ত্রী।

এদিকে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর রাস্তায় গোলযোগের কোন খবর পাওয়া যায়নি। মাহাথিরের সমর্থকরা রাতভর উল্লাস প্রকাশ করেছে।

কুয়ালালামপুরের কাছে মাহাথিরের দলের প্রধান কার্যালয়ের বাইরের একটি মাঠে দলীয় পতাকা হাতে সমর্থকরা জড়ো হয়।

৪৮ বছর বয়সী চিকিৎসক সুভা সেলভান বলেন, ‘আমি মনে করি এই পরিবর্তনের মধ্যদিয়ে আমরা সম্ভবত ভবিষ্যতে ভাল কিছু দেখতে পাব। ভবিষ্যতে আমরা একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ সরকার পাব বলে আশা করি।’

এই পরাজয়ের ফলে নাজিবের দুঃসময় শুরু হতে পারে। নাজিবের বিরুদ্ধে ওঠা কোটি কোটি মার্কিন ডলারের অর্থ কেলেঙ্কারীর অভিযোগের ভিত্তিতে মাহথির তাকে বিচারে আওতায় আনার শপথ নিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে নাজিবের বিরুদ্ধে যে সীমাহীন দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ ওঠে তাতে মালয়েশিয়ার অর্থনীতি ধসের মুখে পড়ে।

তবে নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর মাহাথির বলেন, ‘আমরা কারো ওপর প্রতিশোধ নিব না। আমরা শুধু আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চাই।’

তিনি যে জোটের পক্ষে এই নির্বাচনে লড়েছেন, ক্ষমতায় থাকাকালে তিনি তাদের অনেক নেতাকর্মীকে কঠোর হাতে দমন করেছেন। তার শাসনামলে তৎকালীন বিরোধী দলের লৌহমানব আনোয়ার ইব্রাহিমসহ বহু নেতাকর্মীকে জেল খাটতে হয়েছে।-বাসস

প্রিন্ট

About এডমিন

Check Also

‘বাংলাদেশে আমরাই বৈষম্য- নির্যাতনের শিকার’, বলছেন পুরুষ অধিকার কর্মীরা

বাংলাদেশে যখন হ্যাশট্যাগ মি-টু আন্দোলনের ঢেউ এসে লেগেছে, যৌন নিপীড়নের শিকার হবার অভিজ্ঞতা প্রকাশ করছেন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *