সর্বশেষ
Home / আইন-আদালত / বিশ্বজিৎ হত্যা মামলা ২ জনের ফাঁসি, চারজনের যাবজ্জীবন, খালাস ৪

বিশ্বজিৎ হত্যা মামলা ২ জনের ফাঁসি, চারজনের যাবজ্জীবন, খালাস ৪

7492পুরান ঢাকায় দরজি দোকানি বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায় ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের ওপর ১০ জনের বিরুদ্ধে রায় দিয়েছেন আদালত। এই রায়ে হত্যা মামলার আসামী  শাকিল ও রাজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন আদালত। খালাস দেওয়া হয়েছে কাইয়ুম ও সাইফুলসহ চারজনকে। তবে নিম্ন আদালতে ফাঁসির আদেশ পাওয়া বাকি চার আসামী নাহিদ, এমদাদ, মিলন ও শাওনের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদশে দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া ময়নাতদন্তে গাফিলতি ও ভুল তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ায় চিকিৎসক ও পুলিশের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।   বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ রোববার এই রায় ঘোষণা করেছেন। আজ ৬ আগস্ট রায় ঘোষণার জন্য গত ১৭ জুলাই তারিখ ধার্য করেছিলেন আদালত।

এর আগে নিম্ন আদালতে এই হত্যা মামলায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের আট কর্মীর ফাঁসি ও ১৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। বিচারিক আদালত এই মামলায় ফাঁসি দিয়েছিল রফিকুল ইসলাম ওরফে শাকিল, মাহফুজুর রহমান ওরফে নাহিদ, জি এম রাশেদুজ্জামান ওরফে শাওন, কাইয়ুম মিয়া, ইমদাদুল হক ওরফে এমদাদ, সাইফুল ইসলাম, রাজন তালুকদার ও নূরে আলম ওরফে লিমকে। বিচারিক আদালত যে ১৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছিল, তারা হলেন- এ এইচ এম কিবরিয়া, গোলাম মোস্তফা, খন্দকার ইউনুস আলী, তারেক বিন জোহর, আলাউদ্দিন, ওবায়দুল কাদের, ইমরান হোসেন, আজিজুর রহমান, আল আমিন শেখ, রফিকুল ইসলাম, মনিরুল হক পাভেল, কামরুল হাসান ও মোশাররফ হোসেন।

এদের মধ্যে এস এম কিবরিয়া ও গোলাম মোস্তফা কারাগারে আছেন। বাকি ১১ জন পলাতক। তবে উচ্চ আদালত বিচারিক আদালতের এই রায় পাল্টে রফিকুল ইসলাম এবং রাজন তালুকদারকে চূড়ান্ত মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদশে দেওয়া হয়েছে নাহিদ, এমদাদ, মিলন ও শাওনের বিরুদ্ধে। খালাস দেওয়া হয়েছে কাইয়ুম ও সাইফুলসহ চারজনকে। মৃত্যুদণ্ড পাওয়া দুই আসামির মধ্যে রাজন তালুকদার এখনও পলাতক। ২০১২ সালের ৯ ডিসেম্বর বিএনপি-জামায়াত জোটের অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে বাহাদুর শাহ পার্কের কাছে বিশ্বজিৎকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

হত্যার ঘটনায় ওই রাতেই সূত্রাপুর থানায় মামলা করে পুলিশ। পরদিন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবি ও ভিডিও ফুটেজ দেখে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত হয়ে ওই ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেয়। এরপর সাত আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তদন্ত শেষে ২০১৪ সালের ৫ মার্চ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের ২১ জন কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় ডিবি পুলিশ। ওই বছরের ২৬ মে আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়।

প্রিন্ট

About এডমিন

Check Also

IMG_2051

কেসিসি মেয়র এর সাথে এনইউবিটি খুলনার শব্দ দূষন ও প্রতিকার বিষয় সেমিনার

নর্দান ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এন্ড টেকনোলজি খুলনাতে অবস্থিত আমেরিকান কর্ণার খুলনার এনভায়রনমেন্ট ক্লাব এর উদ্যোগে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *