সর্বশেষ
Home / রাজধানী / ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আজো প্রতিক্রিয়াশীল আচরণ করছে: ইশা ছাত্র আন্দোলন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আজো প্রতিক্রিয়াশীল আচরণ করছে: ইশা ছাত্র আন্দোলন

বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল লক্ষ্য হলো, জ্ঞান চর্চা, উৎপাদন ও বিতরণ, একই সাথে বিশ্ববিদ্যালয় হলো মুক্তবুদ্ধি চর্চার উন্মুক্ত প্রান্তর। বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন মত ও পথের আলোচনা হবে, চর্চা হবে এবং শিক্ষার্থীরা তাদের স্বাধীন বিচার-বিবেচনা ব্যবহার করে নিজস্ব মত ও পথ গ্রহণ করবে। কোন আদর্শকে প্রতিষ্ঠা করা বা প্রতিহত করা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ হতে পারে না।

 

কিন্তু আমরা বিস্ময়ের সাথে লক্ষ্য করছি যে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ইসলামী রাজনীতি চর্চার পথ রুদ্ধ করে দিচ্ছে। আসন্ন ডাকসু নির্বাচনে তারা কোন ইসলামী সংগঠনকে আমন্ত্রন জানায়নি বরং ইশা ছাত্র আন্দোলন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাথে দফায় দফায় যোগাযোগ করার পরেও তারা আমাদের নির্বাচনে অংশ নেয়ার সুযোগ দেয় নাই।

 

গত ১১ জানুয়ারি’১৯ রোজ শুক্রবার আইএবি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ইশা ছাত্র আন্দোলনের জেলা প্রতিনিধি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক আশ্রাফ আলী আকন উপর্যুক্ত কথা বলেন।

 

কেন্দ্রীয় সভাপতি শেখ ফজলুল করীম মারুফ এর সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি জেনারেল এম. হাছিবুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় জেলা প্রতিনিধি সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর যুগ্ম মহাসচিব, অধ্যাপক এটিএম হেমায়েত উদ্দিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তর-এর সভাপতি, মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন-এর কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি, শেখ মুহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম, জয়েন্ট সেক্রেটারি জেনারেল, এস.এম এমদাদুল্লাহ ফাহাদ, কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক, মুহা. মুস্তাকিম বিল্লাহ, কেন্দ্রীয় প্রচার ও যোগাযোগ সম্পাদক, মুহাম্মাদ শরিফুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় সম্পাদক, মুহাম্মাদ জিয়াউল হক জিয়া, কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক, একেএম আব্দুজ্জাহের আরেফী, কেন্দ্রীয় অর্থ ও কল্যাণ সম্পাদক, মুহাম্মাদ আব্দুল জলিলসহ কেন্দ্রীয় ও জেলা প্রতিনিধি বৃন্দ।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ এটিএম হেমায়েত উদ্দিন বলেন, ডাকসু নির্বাচনে ইশা ছাত্র আন্দোলনকে অংশগ্রহণ করার সুযোগ না দিয়ে প্রতিক্রিয়াশীলদের মতো আচরন করেছে। ক্ষোভ প্রকাশ করে ভিসির উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা ক্যাম্পাসে আমাদের কথা বলতে দিন, আমরা আমাদের কথা বলি, সমাজতন্ত্রীরা, গণতন্ত্রীরা তাদের কথা বলুক, শিক্ষার্থীরা স্বাধীনভাবে যার যা ইচ্ছা সেটা গ্রহণ করবে। কারো মত প্রকাশে বাধা দেয়ার মতো প্রতিক্রিয়াশীল আচরণ করবেন না, ক্ষমতা দিয়ে মত প্রকাশের স্বাধীনতা হরণ করার মতো পাশ্চাৎপদ আচরণ করবেন না। বিশ্ববিদ্যালয়কে কুপমন্ত্রকতায় আচ্ছন্ন করবেন না।

সভাপতির বক্তব্যে শেখ ফজলুল করীম মারুফ বলেন, ৯০% মুসলমানের করের টাকায় পরিচালিত একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে কার্লমার্কসের আদর্শ চর্চা করা যায়, পশ্চিমা গণতন্ত্রের চর্চা করা যায় অথচ মুসলমানদের হৃদয়ের স্পন্দন মুহাম্মাদুর রাসুল (সা:) এর আদর্শ চর্চা করা যাবে না এটা বরদাস্ত করা হবে না।

প্রিন্ট

About এডমিন

Check Also

চুয়াডাঙ্গায় জেলা প্রশাসক পরিবেশ পদক পেল চার প্রতিষ্ঠান

 চুয়াডাঙ্গা : চুয়াডাঙ্গায় জেলা প্রশাসক ২০১৮ সালের পরিবেশ পদক প্রদান করা হয়েছে। রবিবার দুপুরে জেলা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *