সর্বশেষ
Home / বিদ্যুৎ ও জ্বালানী / কোটচাঁদপুর বিদ্যুত অফিসের নামে নানা অভিযোগ ও গ্রাহক হয়রানি

কোটচাঁদপুর বিদ্যুত অফিসের নামে নানা অভিযোগ ও গ্রাহক হয়রানি

আজিজুল হক কোটচাঁদপুর: কোচাঁদপুর ওয়েষ্ট জোন পাওয়ার ডিষ্টবিউশন কোং লিঃ এর নামে নানা অভিযোগ ও গ্রাহক হয়রানি ও মিটার রিডিং বাদে বিল তৈরির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা যায় কোটচাঁদপুর ওজোপাডি কোঃ লিঃ এর আওতায় বিদ্যুত অফিস এর নামে নতুন সংযোগ দিতে অর্থ বাণিজ্য ও বিদ্যুত বিল তৈরি মিটার রিডিং বাদে হচ্ছে।পৌর এলাকায় ৮ নং ওয়ার্ড এর বাসিন্দা মূল হকের ছেলে শফিকুল হক ও মৃত শনির দেলে ঈদে বলেন আমরা নতুন সংযোগ নিতে চাইলে আবেদন বাবদ ৫০০/- টাকা নিয়েছে। এরপর আবেদন পাশ হয়ে আসার পরও ৫৭০০/- টাকা নিয়ে বিদ্যুত সংযোগ দিয়েছে। আরও বছর খানিক আগে সংযোগ নেওয়া মৃত মঙ্গলার দেলে শরিফুল বলেন আমার নতুন বিদ্যুত মিটার নিতে সর্বমোট ৮০০০/- টাকা দিতে হয়েছে।

এ ব্যপারে ৭ নং ওয়ার্ড কমিশনার শারাফৎ হোসেন বলেন আমার বিদ্যুতের মিটার সংযোগ নিতে সার্ভিস তার ও মিটার বাদেই শুধু অফিসকেই ৪৫০০ টাকা দিতে হয়েছে। এছাড়া তিনি আরও বলেন বর্তমানে ৬০০০ টাকা নি”ে কোন ব্যক্তিই বিদ্যুতের সংযোগ নিতে পারছে না।

নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক একজন ইলেট্রিশিয়ান বলেন যদি কোন বিদ্যুত বিল বকেয়া পরে তাহলে বিদ্যুতের সংযোগ কর্তন ও আবার সংযোগ নিতে ১২০০ টাকা দিতে হয় বিদ্যুত অফিসকে।

এদিকে ৮নং ওয়ার্ড বাসিন্দা সাংবাদিক আজিজুল হক জানান, আমার গত জুন মাসের ২১ তারিখে আমার মিটার রিডিং ছিল ৩৭০ কিন্তু বিদ্যুতের লাইন ম্যান মিটার না দেখেই আমার বিদ্যুত বিলে মিটার রিডিং ৪১৫ দেখিয়ে বিল করেছে। আমি এর আগেও তাদেরকে এ ব্যাপারে অভিযোগ করেছি যে লাইন ম্যান অফিসে বসেই বিদ্যুত বিল তৈরি করে তারা বলেছিল, পরবর্তীতে এমন আর হবে না। কিন্তু পুনরায় জুন মাসের বিদ্যুত বিল শুধু আমার না ৮ নং ওয়ার্ড বড় বামনদহ গ্রামের অনেকেরই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটেছে।

এ ব্যাপারে কথা হয় কোটচাঁদপুর আবাসিক প্রকৌশলী মনোয়ার জাহিদের সাথে তিনি জানান, নতুন বিদ্যুত সংযোগের আবেদন ফি ১১৫ টাকা এবং সংযোগদিতে অন্যান্য ফি বাবদ কত টাকা জানতে চাইলে তিনি বলেন যে, আপনারা অফিসে আসেন আসলে বলব মোবাইলে এসব কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান। তার কাছে বিদ্যুত বিল সংশোধনের কথা বললে তিনি বলেন যেটা হয়েছে সেই পরিমান টাকাই আপনার দিতে হবে।

এদিকে গত এক সপ্তাহ যাবত বিদ্যুত অফিসের সামনে সরেজমিন গিয়ে দেখা গিয়েছে, প্রতি দিনই ৫-৭ জন গ্রাহক অফিসে গিয়ে অভিযোগ করছেন বিল বেশি লেখার জন্য এবং মিটার রিডিং না দেখার কারণ জানতে চাচ্ছেন।

এ ব্যপারে আবাসিক প্রকৌশলী বলেন, আমার কিছু করা নেই। বিল যা এসেছে তাই দিতে হবে। সাধারন জনগণের দাবি সঠিক ভাবে নতুন সংযোগ নিতে নির্দিষ্ট হারে ফি নেওয়া এবং প্রতি মাসে মিটার রিডিং দেখে বিল তৈরি করা।

প্রিন্ট

About এডমিন

Check Also

চুয়াডাঙ্গা জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন, ঢাকা সিজেএডির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

 গত ৭ ডিসেম্বর (শুক্রবার) ঢাকায় এক বিশেষ সভার মাধ্যমে চুয়াডাঙ্গা জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন ঢাকা  (সিজেএডি) নামের এই …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *