সর্বশেষ
Home / সম্পাদকীয় / আমাদের নববর্ষ ১৪২৫

আমাদের নববর্ষ ১৪২৫

IMG_20150409_195130কামাল সিদ্দিকী : বাংলা নববর্ষের আজ প্রথম দিন। নতুন পোশাক আর সারাদিনের বাধভাঙ্গা উচ্ছাসে মাতবে বাঙালি। রমনার বটমূলে আয়োজন রয়েছে নববর্ষবরণ অনুষ্ঠানের। আবার রবীন্দ্র সরোবরে শিল্পীরা গানের আসর জমিয়ে ৫৬ হাজার বর্গমাইলে জানান দেবেন আজ বাঙালি নববর্ষ বোশেখের প্রথমদিন। পান্তা খাওয়া আর সেই সাথে ভর্তা কাঁচামরিচ পেয়াজ মিলে সোনয় সোহাগা। তেমনি পাতের কোনো শোভা পাবে বাংলাদেশের জাতীয় মাছ ইলিশের এক টুকরা ভাজা। পান্তার হোটেল বসবে খোলা ময়দানে। মাটির সানকিতে করে সেই অমৃত খাবেন সকলে। গ্রামের মানুষ অবশ্য সারা বছরই পান্তা কাচাঁমরিচ এবং পেয়াজ খেয়ে থাকেন। তাই তাদের কাছে এই খাওয়ায় তেমন বৈচিত্র নেই। অবশ্য তারাও যে বাধ যাবেন এমন নয়। তার্ওা খাবেন স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে। বাবা-মাকে সালাম করে তারাও শামিল হবেন।

কিন্তু আমাদের দেশে এক শ্রেণির মানুষ আছেন যারা কোনটাই ভালো দেখতে পান না। এবিষয়ে একটি গল্প বলে নিলে মন্দ হয় না। গল্পটি এমন: একজন ঠাকুর তাকে যতই ভালোমন্দ খেতে দেওয়া হোক না কেন সে কিছুতেই ভালো বলবে না। খুঁত ধরবেই। কিছু না পেলেও হয়তো বলবে, ডালটায় লবণ কম হয়েছে , ছ্যাছড়াটাতে পাচঁফড়ং একটি কম হলে ভালো হতো,অথবা যে মাছটা আমার পাতে দেওয়া হয়েিেছলো সেটি অেেন্যর চেয়ে একটু ছোট্টটি ছিলো। এমন বিষয় দেখে স্থানীয় এক লোকের ভীষণ রাগ হলো। সে ভাবলো আমি তোমায় নেমতন্নকরবো দেখি ঠাকুর তোমাকে এমন খাওয়াব যে তুমি ভালো বলতে বাধ্য হবে। সে সুযোগ বুঝে একদিন ঠাকুরকে নেমতন্ন দিলো। ঠাকুর গেলো। এবারে পাশে বসে আচ্ছা রকম খাওয়ালো। যতক্ষণ পর্যন্ত খেয়ে গলা পর্যন্ত না এলো ততক্ষণ কেবলই দিয়ে চললো। ঠাকুরও খেলো। খাওয়া শেষে কর্তা প্রশ্ন করলো আচ্ছা ঠাকুর মশাই খাওয়াটা কেমন হলো? অবাক কনে দিয়ে ঠাকুর বললোএতো ভালো ভালো নয়!

টাকুরের মত যারা কারো ভালো দেখতে পান না তারা যে গোস্বা করবেন, সেটি অস্বাভাবিক নয়। তাদের মনোবাসনাপূর্ণ করতে মিডিয়াতে হাজির হয়ে কিছুটা গালমন্দ করতেও পারেন। অবশ্য ইদানিংকালের ফেসবুকে তো এনিয়ে লড়াই বেঁধে যাওয়া কোন বিচিত্র নয়। যারা বাঙালির নববর্ষের সমঝদার তাদের সময় কম ফেসবুকে বসে টুইট করার। সারা দিন তারা ব্যস্ত থাকবেন। নিজেকে এবং তার পরিবারকে সময় দেবেন। কিন্তু যাদের গাত্রদাহ তারা কিন্তু ঠিকই তাদের ভিন্নমত দিতে ফেসবুকে থাকবেন। ফেসবুকের পাতায় দিনটি যারা পালন করছেন তাদেরকে ধুয়ে দেওয়া হবে। এমনকি ইচ্ছাকৃতভাবেই দিনকে ধর্মের প্রতিপক্ষ হিসাবে দাড় করানোর পায়তারা চলবে। নববর্ষ বিষয়ে তাই দু‘চার কথা বলা প্রয়োজন।
বাংলাভাষা এবং তার নববর্ষ কিভাবে এলো তা ইতিহাসবিদদের বিষয়। সেক্ষেত্রে নববর্ষ কাদের উৎসব সেখানেই সেটি মিমাংসিত রয়েছে।

 

ভারতীয় উপমহাদেশে মুলত মুর্তি উপাসকদের বসবাস ছিলো। অবশ্য আরবের লোকেরাও ইসলাম ধর্ম প্রবর্তিত হওয়ার আগে পৌত্তলিক ছিলেন। সেখনেও দেবদেবির উপাসনা হতো। আরবদের কাছে বড় দেবতার নাম ছিলো লাৎ। সে কথা থাক। এই উপমহাদেশে যখন কেবলই পৌত্তলিকেরা বসবাস করতেন তখন তাদেরকে বলা হতো হিন্দু। আর এই জাতীয়তার কারণ ছিলো হিন্দুকূশ পর্বত। এই পর্বত এলাকায় যারা বসবাস করতেন তারা সকলেই হিন্দু। আর্য- অনার্য পরিচয়ে জাতি- ভেদ ছিলো আরো স্পষ্ট। কুলিন সম্প্রদায় বিশেষ করে যাদের রক্তে আর্যরক্ত প্রবাহমান তারা নিজেদেরকে সেরা দাবি করে অনান্য হিন্দুদেরকে অস্পর্শ বলে তাদেরকে এড়িয়ে চলতো। আবার আর্যদের ভাষা ছিলো সংস্কৃতি। আর নিম্নবর্ণের হিন্দুদের ভাষা ছিলো বাংলা। অভিজাত হিন্দুরা ভূলেও বাংলা বলতেন না। তাদের কাছে বাংলা মানেই ছোটলোকদের ভাষা।

 

অভিজাত হিন্দুদের হাতে এই সব ছোটলোকের দল কেবল অপমানিতই হতেন না, কোন কারনে তাদের ছায়া মাড়ালে বা তাদের স্পর্শ করলে স্নান করার বিধান চালু ছিলো। বেদ শুনলে নিম্নবর্ণের হিন্দুদের কানে গরম শিশা ঢেলে তাকে চিরকালের মত বধির করে দেওয়া হতো। যেখানে ছায়া মাড়ালে পাপ আর সেই পাপের কারণে এই সব ছোটলোক হিন্দুদেরকে শাস্তি পেতে হতো এমন অবস্থায় শান্তির সু-বাতাস ছড়িয়ে দিলো পৃথিবীর সেরা ধর্ম ইসলাম।
ভারতবর্ষের এটি অংশের রাজা ছিলেন দাহির। তিনি বর্তমান পাকিস্তান এবং তার আশপাশের রাজা ছিলেন।

তার আমরে এই অঞ্চল ডাকাতি লুটতরাজের ঘটনা এতটাই বেড়ে যায় যে সাধরণ মানুষের শান্তি বিনষ্ট হয়। আরবের শাসনকর্তা ছিলেন হাজ্জাজ বিন ইউসুফ। এসময়ের একটি ঘটনা: একদল মুসলিম বনিক ব্যানিজ্য শেষে সিন্ধু নদ ধরে নৌকাযোগে দেশে ফিরছিলো। তারা নৌদস্যুদের দ্বার আক্রান্ত হন এবং তাদের সমস্ত মালামাল লুণ্ঠিত হয়। এসংবাদ হাজ্জাজের কাছে পৌছিলে তিনি রাজা দাহিরকে লুণ্ঠিত মালামাল ফেরত দেবার জন্য পত্র পাঠান। রাজা দাহির সে পত্র অগ্রাহ্য করে নৌদস্যুদের দমনে তার কোন ক্ষমতা নেই বলে জানিয়ে দেন। হাজ্জাজ তখন তার দেশ আক্রমণের সিদ্ধান্ত নেন। একদল মুসলিম বাহিনী সে যুদ্ধে অংশ নেন।

কিন্তু তারা পরাজিত হন। তাদের অধিকাংশ সেনা হয় নিহত আর না হয় সাগরে নিখোঁজ হন। এই সংবাদ হাজ্জাজের কাছে গেলে তিনি রুষ্ঠ হন। এরপর তিনি আরো শক্তিশালী সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন। সেই যুদ্ধর সেনানায়ক করা হয় তার ভাতুষ্পুত্র ও জামাতা মোহাম্মদ বিন কাসিমকে। তরুণ কাসিম যুদ্ধে দাহিরের বাহিনীকে পরাজিত করে তার রাজ্য দখলে নেন। দাহির নিজে নিহত হন। রাণী সহ তার দু কন্যা বন্দী হন। এনিয়ে আরো অনেক গল্প আছে। দাহির কণ্যা কাসিমকে জব্দ করতে নিজের শ্লীলতাহানীর অভিযোগ করেন। যার বিচারে কাসিমকে পদচ্যুত করা হয় এবং নির্মমভাবে শাস্তি দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ঘটনা মিথ্যা প্রমাণিত হয়।

কিন্তু তখন আর কোন পথ খোলা ছিলোনা। তবে যে কয়েকমাস কাসিম বিজিত রাজ্য শাসনের সুযোগ পেয়েছিলেন সে সময়টুকু তিনি নিজেকে একজন যথার্থ শাসক হিসাবে প্রমাণ করতে পেরেছিলেন। কাসিম রাজা হয়েই স্থানীয় জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন।তিনি দলিতদের নিয়ে এক আসরে খাওয়ার প্রথা প্রচলন করেন। তার এই উদারতায় নিম্নবর্ণের দলিত সমাজ দলে দলে ইসলামে শামিল হন। সে ঢেউ একদিন আছড়ে পড়ে এই বাংলায়। যেহেতু কুলীন এবং আভিজাত হিন্দুরা দলিতদের উপর নির্যাতন করতো তাই এখানকার অধিবাসীরাও ইসলামের ছায়াতলে আশ্রয় নেন। বাংলা ভাষার প্রচলন ছিলো এই নিম্নবর্নের ভিতরে, তাই মানুষের সাথে সাথে বাংলাও তার ধর্মীয় অবস্থান পরিবর্তন করে। ধর্মান্তরিত নব্য মুসলমানদের ভাষা হয়ে ওঠে বাংলা।

আজকে আমরা যে বাংলায় কথা বলি সেদিন এই বাংলা আমাদের পুর্বপুরুষদের কল্যাণে তা মুসলমানদের ভাষা হিসাবে অবস্থান নেয়। ইতিহাস সাক্ষীদেয় অভিজাত হিন্দুরা ছাড়া বেশিরভাগ মানুষই ইসলাম গ্রহণ করে। তাই বাংলার উপর অধিকার কেবল মুসলমানের। যেহেতু অভিজাত হিন্দুরা সংস্কৃতি ভাষা ছাড়া বাংলায় কথা বলাকে ঘৃণা করতেন। এ কারণেই বাংলারদাবীদার এই দেশের মুসলমানেরা।
আবার নববর্ষের বর্তমান চেহারা পঞ্জিকায় রুপ দেন মোঘল সম্রাট আকবর। খাজনা আদায়ের সুবিধার্থে একটি সময় নির্ধারণ করার প্রয়োজনীয়তা উপলদ্ধি করেন। কারণ এর আগে সে সময় এবং ক্ষণে খাজনা পরিশোধের সময় নির্ধারিত ছিলো সেটি অনেকটাই অমানবিক। এসময় কৃষকের ঘরে কোনশষ্য না থাকার ফলে তারা ভীষণ মানসিক শাস্তি ভোগ করতেন। ফসল না থাকার কারণে খাজনা বাকী পড়ে যেতো। কিন্তু রাজার তাগিদ এবং খাজনা আদায়কারীদের নিপীড়নে অনেকেই আত্মহত্যা করতে বাধ্য হতেন।

প্রজাহিতৈষী সম্রাট আকবর এর থেকে প্রজাদের কিভাবে মুক্তি দেওয়া যায় সে চিন্তা করতে থাকেন। তিনি ্এমন একটি ক্ষন নিদৃষ্ট করার চেষ্টা করেন যখন কৃষকের হাতে শষ্য থাকবে তাদের খাজনা দিতে কষ্ট হবে না।সম্রাট এই দায়িত্ব দেন তার অন্যতম সভাসদ আবুল ফজলের উপর। আবুল ফজল অনেক হিসাব নিকাষ করে বৈশাখ মাসকে বছরের প্রথম মাস হিসাবে গণনা করে একটি প্রস্তাবনা সম্রাটের দরবারে উপস্থাপন করেন। সম্রাট খুশি হন। তার প্রজাদের আর উৎপীড়ণ সইতে হবে না।

আবার তারা নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করে রাজকোষ চাঙ্গা রাখতে সক্ষম হবেন। এভাবেই বৈশাখ বছরের প্রথম মাস হিসাবে গণনায় আসে। এখানেও মুসলমানদের প্রভাব স্পষ্ট। তারপরেও যদি অভিযোগ ওঠে পহেলা বৈশাখ মুসলমানদের নয়! এই প্রশ্ন যারা করেন তারা প্রকৃত ইতিহাস জানেন না বা তার কাছে যেতে চান না।

ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর সংস্কারের কারণেই বাংলা মাসের দিনক্ষণের একটি বৈজ্ঞানিক ভিত্তি তৈরি হয়। সেই ভিত্তিকে উপজীব্য করে আমাদের মননে যে প্রেরণা জুগিয়েছে সেই দিনটি আজ। আজ সেই পহেলা বৈশাখ। এতকিছুর পরেও আমাদের বিভ্রান্তি যায়ন্।ি অনেকেই দিনটিকে অস্বীকার করতে চান। ভিন্ন সম্প্রদায়ের হাতে তুলে দিয়ে আমাদের হাজারো বছরের ঐতিহ্য এবং গর্বকে খাটো করে দেখতে চান। নিজের অস্ত্র যখন অন্যের হাতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয় তখন স্পষ্ট ‘ডালমে কুচ কালা হ্যায়।’

বাংলাদেশের মানুষ উৎসাহ ও উদ্দীপনার সাথে এই দিনটি পালন করে আসছে। পহেলা বৈশাখ তার নাঙ্গল জোয়াল গরু নিয়ে মাঠে যায়। প্রথমদিনে সে ধান বোনে, সেই জমিতে মনের আনন্দে চাষ দেয়। আবার কৃষাণি জায়া-কণ্যারা সকালবেলায় ক্ষীর রান্না করে মাঠে পাঠায়। যার ভিতরে নতুন আমের ফালি লুকোচুরি খেলে। কৃষক তার ইয়ার বন্ধুদের নিয়ে কলার পাতা পেড়ে সেই ক্ষীর খেয়ে দুহাত তুলে আল্লার দরবারে নমুনাজাত করে।

হে পরওয়ার দিগার, তুমি সারাবছর আমর সন্তানদের দুধে ভাতে রেখো। চাষ শেষে বাড়ি এসে মাটির ঘরের দাওয়ায় বসে পা মেলে তালের শাস খাওয়ার সেই দিন যে আজ। ‘পুরানো সেই দিনের কথা ভুলবি কিরে হায়/ ওসে চোখের দেখা প্রাণের কথা সেও কি ভোলা যায়?’ পহেলা বৈশাখ নস্টালজিয়ায় ভাসিয়ে নিয়ে যায় হারিয়ে যাওয়া সেই দিনগুলোর কাছে।
পহেলা বৈশাখে গ্রামবাংলায় বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলার আয়োজন করা হয়। লাঠি খেলা, কুস্তির- লড়াই, হা-ড-ুডু, গাদি সহ এমন অনেক খেলা, যা আমাদের সংস্কৃুত থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে। সন্ধ্যার আগে পড়ন্ত বিকেলে মেয়েদের বৈচি খেলা আর ছেলেদের ডাংগুলি! যার গুলি আমাদের চেতনায় বড় ধাক্কা দেয়।

হারিয়ে যাওয়া খেলা আমরা আবারো প্রত্যক্ষ করি এই দিনের কল্যাণে। সন্ধ্যায় বসে যাত্রাপালা। শখের পালায় গ্রামের অপেশাদার শিল্পীরা মাতিয়ে রাখে সবাইকে। যারা কেবল দিনটিতে পান্তা খাওয়া দেখেন, আর যারা তার ভিতরে সীমাবদ্ধ রাখতে চান তারা সকলেই কূপম-ুকতায় আছন্ন। আসলে পহেলা বৈশাখ আমাদের চেতনাকে শাণিত করার দিন আর বেগবান করার দিন। হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য আবার আমাদের দরজায় ফিরিয়ে আনার শপথ। শিকড়ের কাছে ফিরে যাওয়ার অনুপ্রেরণা জাগায়। যার নির্জ্যাস থেকে আমাদের পরস্পরের প্রতি ভালোবাসাকে জাগ্রত করে।
আমরা আমাদের ঐতিহ্যকে আরো সংরক্ষন এবং তা থেকে শিক্ষা নিয়ে স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখি।

যেখানে বাংলার কৃষক, ক্ষেত মজুর, কামার কুমোর তাতি কর্মকার স্বর্ণকার , ছুতোর, জেলে, নাপিত,মাঝিসহ দেশে বসবাসরত বিভিন্ন পেশার মানুষ আদিবাসী সবাই শামিল হবেন। পহেলাবৈশাখ একমাত্র উৎসব যেখানে ধর্মবর্ণ সকলেই শামিল হতে পারে। উৎসবের মেজাজ সার্বজনীনতা পায়। পহেলাবৈশাখ আমাদেরকে এক মৈত্রিতে বাঁধতেই প্রতিবছর তার পসরা নিয়ে হাজির হয়। সারা বছর ভালো কাটুক সব দিনগুলো রঙিন থাক সেই বারতা ছড়িয়ে যাক বাংলার প্রতি ঘরে ঘরে।

প্রিন্ট

About এডমিন

Check Also

ঝিনাইদহে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ২জন নিহত আহত একজন

ঝিনাইদহ সংবাদদাতাঃ ঝিনাইদহে পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় দুই জনের মৃত্যু ঘটেছে। আহত হয়েছে একজন। সোমবার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *